• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DYFI

রাজ্য

কলকাতা 'ল কলেজে ঘটনার প্রতিবাদ সামশেরগঞ্জে, পথে বামেরা

কলকাতার ল কলেজে ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে সামসেরগঞ্জেও রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বামেরা। শনিবার বিকেলে DYFI এবং SFI এর নেতৃত্বে সামসেরগঞ্জের কাকুড়িয়ায় রাস্তা অবরোধ ঘিরে ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয়। রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করলে পুলিশের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর কুশ পুতুল পুড়িয়ে বিক্ষোভ করে বামেরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। যদিও রাস্তা অবরোধে বাধা দেওয়ার সময় থেকেই পুলিশের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি হয় বাম কর্মী সমর্থকদের। তামান্না খাতুনের খুনিদের শাস্তি দেওয়ার পাশাপশি কলকাতার কলেজে ধর্ষণ কাণ্ডে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান বাম কর্মী সমর্থকরা।

জুন ২৮, ২০২৫
রাজ্য

অডিও ক্লিপ কাণ্ডে আদালতে বড়সড় ধাক্কা খেল রাজ্য, সিপিএমের যুবনেতা কলতানের জামিন

অডিও ক্লিপ কাণ্ডে আদালতে বড়সড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার সিপিএম যুবনেতা কলতান দাশগুপ্তের জামিন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার দীর্ঘক্ষণ শুনানির পর বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের বেঞ্চ বাম যুবনেতাকে ৫০০ টাকার বন্ডে জামিন দেয়। আদালতের নির্দেশ, আদালতের অনুমতি ছাড়া এই সংক্রান্ত মামলায় কলতানকে গ্রেফতার করা যাবে না। হাইকোর্টে ভর্ৎসনার মুখে পড়ে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ। এদিন আদালত পুলিশকে প্রশ্ন করে, ফোনে কথোপকথনের যে রেকর্ডিংয়ের ভিত্তিতে কলতানকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেটি কোথা থেকে পেল পুলিশ। কোথা থেকে এই অডিও রেকর্ডিং এল তা খোঁজ নিয়েছে কি পুলিশ। উত্তরে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, কলতান না বলেননি। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ জানতে চান, যে পেনড্রাইভ পুলিশের কাছে এসেছে এবং যেখান থেকে এসেছে সেই সোর্সকে কি জেরা করা হয়েছে?বিচারপতি এদিন আরও প্রশ্ন করেন, কলতানকে গ্রেফতার করার আগেই একজন রাজনীতিবিদ (তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ) কী করে অডিও ক্লিপের বিষয়টি সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন। সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে একটানা ধরনা-আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ডাক্তারদের সেই ধরনায় হামলার ছক কষা হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। রাজ্য সরকার ও শাসকদলকে অপদস্থ করতেই বিরোধীরা এই হামলার ছক কষেছিল বলে দাবি করেছিলেন কুণাল। সাংবাদিক সম্মেলন করে একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল নেতা। কুণালের দাবি ছিল, ফোনের এক পাশে যিনি রয়েছেন তাঁর নামের প্রথম অক্ষর স, ফোনের অন্য পারে থাকা ব্যক্তির নামের প্রথম অক্ষর ক।কুণালের এমন বিস্ফোরক অভিযোগের পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা সঞ্জীব দাস নামে একজনকে। পরদিনই গ্রেফতার সিপিএমের যুবনেতা কলতান দাশগুপ্ত। DYFI-এর মুখপাত্রের সম্পাদক কলতান। কলকাতা জেলা কমিটির সদস্য এই তরুণ নেতা।এদিন আদালতে রাজ্য জানায়, গত ৫ মাসে কলতান এবং সঞ্জীবের মধ্যে ১৭১ বার ফোনে কথা হয়েছে। ৬ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩৪ বার কথা হয়েছে। আদালতে রাজ্যের আইনজীবীর যুক্তি ছিল, এই ঘটনায় কলতান কৃষ্ণ এবং সঞ্জীব অর্জুনের ভূমিকা পালন করেছেন। মাথা ফাটানোর প্রশ্নের উত্তরে না বলেননি কলতান। সাহেব, বাপ্পা এবং দাদুকে খুঁজে বের করে আরও জেরা করা প্রয়োজন।দুপক্ষের শুনানির পর এদিন রায়দান স্থগিত রাখে আদালত। পরে কলতানকে ৫০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেয় হাইকোর্ট। আদালতের অনুমতি ছাড়া এই সংক্রান্ত মামলায় কলতানকে গ্রেফতার করা যাবে না।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর মেডিক্যালে ভাংচুর নিয়ে এবার তলব মীনাক্ষীসহ সিপিএমের ৭ ছাত্র-যুব নেতা

আরজি কর হাসপাতালে ভাংচুরের ঘটনায় এবার তলব করা হল ডিওয়াইএফআই নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ সাত জনকে। তলব করল লালবাজারের গুণ্ডা দমন শাখা। যে সাত জনকে তলব করা হয়েছে তাদের আজ ও আগামীকাল হাজিরার জন্য বলা হয়েছে।উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে ভাংচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাংচুরের দিন আরজি করের মূল গেটের উল্টোদিকে একটি মঞ্চ পাতা হয়েছিল। ভাংচুরের ঘটনায় সময় সেখানে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মী সমর্থকরা ছিল বলে দাবি লালবাজারের।জানা গিয়েছে, পুলিশ আধিকারিকরা বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মূলত জানতে চাওয়া হতে পারে, যারা তান্ডব চালিয়েছেন তাদের সঙ্গে DYFI-SFI-র কর্মী-সমর্থকরা কোনওভাবে জড়িত কিনা। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হতে পারে যদি হামলাকারীদের সঙ্গে তাদের কোন যোজসাজশ না থাকে তাহলে কেন হাতে DYFI-র পতাকা নিয়ে তাদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছিল?আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক খুন কাণ্ডে উত্তাল সারা বাংলা। ইতিমধ্যেই মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI। গতকাল টানা প্রশ্নবাণের পর আজ সকালে ফের তাঁকে ডেকে পাঠায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। শনিবার সকালে অ্যাপ ক্যাবে চেপে সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে পৌঁছোন সন্দীপ ঘোষ। এখনও চলছে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
রাজ্য

ভাইপোকে নজিরবিহীন কটাক্ষ সেলিমের, ভাষন শুনলেন বিমান, সূর্যকান্তরা

লোকসভা ভোটের আগে রবিবারের ব্রিগেড সমাবেশকে কার্যত অ্যাসিড টেস্টের মতোই ধরেছিল সিপিআইএম। ডিওয়াইএফআইয়ের ডাকে ২০০৮ সালের পর এটাই ছিল প্রথম ব্রিগেড সমাবেশ। ১৫ বছর পর ব্রিগেডে আজ সভা করল ডিওয়াইএফআই। দলের যুবদের ভাষণ মঞ্চের নীচে বসে শুনলেন বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা।মীনাক্ষীর পর রবিবাসরীয় ব্রিগেডের মঞ্চে বক্তা ছিলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। ডিওয়াইএফআইয়ের প্রাক্তন এই নেতা স্বভাবসিদ্ধ ঢঙেই শুরু থেকেই তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ শানাতে থাকেন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। নতুন শকুনির কাছে বাংলার কৃষ্টিকে বাজি ধরেছেন মমতা, মুখ্যমন্ত্রীকে বেনজির আক্রমণ শানিয়ে ঝাঝালো সুর সেলিমের গলায়। রাজ্য সিপিএমের শীর্ষ নেতার তুমুল কটাক্ষ থেকে বাদ পড়েননি সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ভাইপো নয়, ওটাকে ডেঁপো বলাই ভালো, ভরা মঞ্চে যারপরনাই টিপ্পনি সেলিমের।কী বললেন সেলিম? *১০০ দিনের কাজের টাকা নেই। পঞ্চায়েত ভোটে বললেন দিল্লি থেকে নিয়ে আসব।*কত খেলো, কত নিল বাংলার মানুষকে দেখাতে হবে।*সংসদে মোদী বলেছিলেন গর্ত খোঁড়ার কাজ। ভাতা বন্ধ করার কথা বলেছিলেন।*দিল্লি পারবে না, বাংলাকে বাঁচাতে এককাট্টা হোন।*যাঁরা চুরি করছে, রাজ্যের মানুষ তাঁদের শাস্তি চাইছে। যৌবনকে দেখে বলছে, তোমরা পারবে।*৫৬ নয়, ৩৫৬ নয়, মুষ্টিবদ্ধ হাত আপনারা যদি আকাশের দিকে তুলে ধরেন, মাথা উঁচু করে শপথ নেন, বাংলাকে বাঁচাতে, আমাদের শিল্প, কৃষ্টি, ঘর, মা-বোনদের ইজ্জত, ঐতিহ্য, ইতিহাস রক্ষার জন্য যদি এককাট্টা হন, কোনও দিল্লি পারবে না।*ভাইপো নয়। ভেঁপো। তার চেয়ে ডেঁপো বলাই ভালো। যখন সব বেঞ্চ বলল কিছু হবে না, তখন, তিনি চলে গেলেন দিল্লি। বললেন, দাদা পায়ে পড়ি রে, ভাইপোটাকে বাঁচা।*মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউকে দেখবেন না।*পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও ফোন করেছিলেন। উনি ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলেন।*তৃণমূলকর্মীদের বলছি, ওরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তাদের তুলবে। একটার পর একটা আইপিএস-এর অবসরের পরেও পুষছে।*চুরি দেখে রেগে যাচ্ছে রাজ্যের মানুষ। রেশন আইসিডিএস, চাকরির টাকা চুরি করছে। যারা মনে করেছিল নবান্নের অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে ৫৬ লাগবে। বামপন্থীরা বলেন ৫৬ নয় জনগণ পারেন এই সিস্টেম বদলাতে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজ্য

‘জাতের নামে বজ্জাতি’র বিরুদ্ধে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতি মাধ্যমে সুস্থ পৃথিবী গড়তে ফুটবলের মাঠে এসএফআই

আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে খেলা হবে স্লোগান সামনে রেখে রে রে করে মাঠে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার বস্তবের ফুটবল মাঠে সত্যি সত্যি বল পায়ে খেলতে নেমে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবল প্রতিপক্ষ সিপিএম-এর ছাত্র যুব সংগঠন। বিশ্বকাপকে ঘিরে উন্মাদনায় মাতলো এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই।সম্প্রীতির ফুটবল খেলা হল বর্ধমানে। ভারত কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব না করলেও বিশ্বকাপ জ্বরে কাঁপছে বাংলা সহ সারা ভারত। কাতারে যখন ধর্মীয় ফতোয়া, ধর্ম,বর্ণ বিশেষে বিভাজন চলছে, ঠিক তখনই বর্ধমানে রাজপথে সম্প্রীতির বর্ণময় মিছিল করলো এসএফআই এবং ডিওয়াইএফআই।বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল মাঠে হল সম্প্রীতির ফুটবল ম্যাচ। বর্ণময় মিছিলে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন সহ বিভিন্ন দেশের জার্সি ছিল বাম ছাত্র ও যুবদের গায়ে। এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ চৌধুরী জানান আমাদের দেশে ধর্ম নিয়ে বিভাজন চলছে, কাতারে চলছে ফতোয়া, চলছে লিঙ্গ বৈষম্য। আমরা সারা বিশ্বকে এই বার্তা দিতে চাইছি না ধর্ম, না বর্ণ, না লিঙ্গ বৈষম্য, না রাজনীতি। চাই ঐক্য ও সম্প্রীতির বিশ্ব।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
রাজনীতি

ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআই এর অনুমতিহীন সভা ঘিরে চাঞ্চল্য

ভারতের গণতান্ত্রিক ছাত্র ফেডারেশনের (ডিওয়াইএফআই) ধর্মতলা অভিযানের ডাকে সারা দিতে ইসলামপুর আলুয়াবাড়ি রোড জংশন স্টেশন থেকে কর্মী সমর্থকরা সোমবার ট্রেনে চেপে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। ডিওয়াইএফআই নেতা গৌতম বর্মন ও সামী খান জানান আনিস খানের ইনসাফ সবাই যোগদানের জন্য তারা যাচ্ছেন। কলকাতার ধর্মতলায় সেখানে উপস্থিত থাকবেন বামফ্রন্টের রাজ্য সভাপতি মঃ সেলিম ও ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি মীনাক্ষী মুখার্জী সহ একাধিক নেতৃত্ব। উলেখ্য ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে এই সভার কোনও অনুমতি কলকাতা পুলিসের তরফের দেওয়া হয়নি। অনুমতিহীন এই সভা ঘিরে আবার কলকাতায় গোলমালের আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক মহল।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজনীতি

অতীতে টেকনোলজি কে দূরে সরানো বামেদের ভরসা 'কিউআর (QR) কোড'

সদস্য সংখ্যা বাড়াতে বিজেপির মতো বামেরাও শরণাপন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে। মিসড কলের মাধ্যমে বিজেপি তাদের পার্টির সদস্যা সংখ্যা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছিল। আর এবার সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই কিউ আর (QR) কোড মাধ্যমে তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ওই পথেই হাঁটলো। কটাক্ষ করে টিএমসিপি নেতারা বলছেন,বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও তাদের একইরকম হবে,এটাই স্বাভাবিক।২১ শের বিধানসভা ভোটে শূন্য হয়ে গেলেও হাল ছাড়েতে নারাজ সিপিএম নেতৃত্ব। আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট ও ২৪-র লোকসভা ভোটে ঘুরে দাঁড়াতে তারা এখন থেকেই মরিয়া হয়ে রাজনীতির ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দলের হয়ে বড় ভূমিকা পালনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই (DYFI) ও ছাত্র সংগঠন এসএফআই (SFI)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে জনমত সংঘটিত করার জন্য এসএফআই তাদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর দিয়েছে। এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা পোস্টারও তৈরি করেছে। সেই পোস্টারেই এখন ছয়লাপ পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর সহ গোটা জেলার বাজার, হাট,বাসস্ট্যাণ্ড চত্ত্বর। ওই পোস্টারে বড় বড় অক্ষরে আবেদন জানিয়ে লেখা রয়েছে, এসএফআই (SFI) এর সদস্য হও। তার ঠিক নিচেই দেওয়া রয়েছে একটি কুইক রেসপন্স কোড । সেই কোডের নিচে আবার লেখা রয়েছে, স্ক্যান কিউ আর (QR) কোড- জয়েন এসএফআই। আর এই পোস্টার ঘিরেই শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক বিরোধী তর্জা।এসএফআইয়ের জেলা কমিটির সদস্য তথা জামালপুর ব্লকের এসএফআই সম্পাদক নীলকমল পাল বলেন, হ্যাঁ-কিউআর (QR) কোড দেওয়া পোস্টারের মাধ্যমে আমরা এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ারই আহ্বান জানিয়েছি। কারণ আমরা পথেও আছি, হেঁটেও আছি নেটেও আছি। আমরাই ছাত্র বিরোধী নয়া শিক্ষা নীতি,ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র ফেরানোর দাবি সহ রাজ্যের শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছি। সেই লড়াইয়ের সাথী হওয়ার জন্য সবাইকে কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে এসএফআইয়ের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সদস্য বাড়ানোর এই পন্থাকে বিজেপির অনুকরণ বলে মানতে চান নি নীলকমল। উল্টে তিনি দাবি করেন, বিজেপি পার্টিটাই সম্পূর্ণ ভাবে মিস কলের মাধ্যমে চলে। কিন্তু ,সেই পথে বামেরা হাঁটে না।সদস্য সংখ্যা বাড়ানো জন্য এসএফআইয়ের কিউআর কোড ব্যবহারের কৌশলকে বিলম্বিত বোধদয় বলে কটাক্ষ করেছেন, জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বাম আমলে সিপিএম ও তাদের সমস্ত শাখা সংগঠন কম্পিউটার সহ ডিজিটাল মাধ্যমেরই বিরোধীতা করে গেছে। একমাত্র কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। আর এখন সেই বামেরাই নকল করছে বিজেপিকে। মিস কলের মাধ্যমে বিজেপি সদস্য সংগ্রহের পন্থা নিয়েছিল। সেটকেই অনুসরনণ করে সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই এখন ডিজিটাল কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। রামকৃষ্ণ এও বলেন, এইসব করে বামেরা লাভের লাভ কছু করতে পারবে না বলে তিনি মনে করেন না।সংগঠনের সদস্য বাড়ানোর এইসব ডিজিটাল পন্থা অবলম্বন নিয়ে বাম ও বিজেপি দুপক্ষকেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) জেলা সভাপতি সেখ সাদ্দাম। তিনি দাবি করেন, বামেরা হল বিজেপির ভাব শিষ্য। দুটো দলই জন বিচ্ছিন্ন। তাই সংগঠন তৈরির কায়দা কানুনও এই দুই দলের একইরকম হবে, এটাই স্বাভাবিক। তৃণমূল কংগ্রেস দল ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদ মানুষের মাঝে থেকে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলে বলেই মিস কল বা কিউআর (QR) কোড মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজনীতি

'অর্পিতা, মোনালিসা, সুকণ্যারাই রিয়েল কন্যাশ্রী'- মীনাক্ষী

পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাধা দিলে তীব্র প্রতিবাদ হবে। ঝাণ্ডার সঙ্গে ডাণ্ডা নিয়ে যাবে বলে শাষকদলকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখার্জি। সোমবার বর্ধমানে একটি মিছিল হয় ডিওয়াইএফআইয়ের। বর্ধমান স্টেশন থেকে মিছিল শুরু হয়ে কার্জনগেট চত্বরে শেষ হয়ে জমায়েত হয়। সেখানে সভায় উপস্থিত ছিলেন মীনাক্ষী মুখার্জি। তিনি বলেন, এখন আর কোনও পোস্টারে সততার প্রতিক লেখা নেই। কারণ তৃণমূল নেতারা একে একে জেলে যাচ্ছে দুর্নীতির দায়ে। ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা তৃণমূল নেতাদের বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করছেন। তাদের একাউন্টেও বহু টাকার হদিস পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।তিনি বলেন, এখন রাজ্যে চাকরি পেতে মেধা লাগেনা, যোগ্যতা লাগেনা, অর্পিতা লাগে- পার্থ লাগে। অর্পিতা, মোনালিসা, সুকণ্যারাই রিয়েল কন্যাশ্রী। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইদ্যুতে এইভাবেই রাজ্য সরকারকে নিশানা করলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদিকা মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন তিনি।সোমবার বিকালে স্বাধীনতা বাঁচাও, কাজের অধিকার দাও এই দাবীতে বর্ধমান ষ্টেশন থেকে মিছিল করে ডিওয়াইএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটি। কার্জনগেট পর্যন্ত এই মিছিলের সামনে ছিলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অনেক কষ্ট করে দেশের স্বাধীনতা এসেছে। স্বপ্ন দেখলাম আর রাজারাণীর মুর্তি এনে কার্জনগেটে বসিয়ে দিলাম, এইভাবে স্বাধীনতা আসেনি। সেই স্বাধীনতা, দেশের গণতন্ত্র, সংবিধানের অধিকার আজ নষ্ট হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখতে হবে। স্বাধীনতা সংগ্রামে বিজেপির ভূমিকা নেই। হিন্দু মুসলমান, শিখ, খ্রিষ্টানরা লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছে।মীনাক্ষী বলেন, আমরা অনুব্রত নিয়ে কিছু বলবো না। কারণ, গরু চোর নিয়ে আমরা কেন কিছু বলবো? শুধু এটা বলবো, যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অনুব্রতরা তাঁর মেয়ের ভবিষ্যৎ, চিন্তা ভাবনাকে নষ্ট করেছে। তাঁকে বোঝানো হয়েছে চাকরি পেতে গেলে দিদি ও টাকা লাগে-পার্থ-ও লাগে আর তাঁর বান্ধবী অর্পিতা লাগে। এরাই রিয়েল কন্যাশ্রী। পাশাপাশি, অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে যে স্কুলে চাকরি করত, সেই স্কুলের পরিচালনা সমিতি, প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতারের দাবি তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, শিক্ষা, রেল, ডাক সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শূন্য পদ রয়েছে। কিন্তু মেধা বঞ্চিত হচ্ছে, এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার মিথ্যে মামলা দিয়ে বামপন্থীদের গ্রেফতার করে রেখেছে। কিন্তু ২১৮ দিন হয়ে গেলেও আনিশ খানের খুনিরা সাজা পায়না। তাই আমরা ২১৮টা সভা করব। চোরদের জেলে ভরার সভা। চোরদের বিরুদ্ধে এক কোটি সই সংগ্রহ করা হবে। কর্মসূচীতে কোনও বাধা মানা হবে না। পাশাপাশি শাসকদলের হয়ে কাজ করা পুলিশদেরও সতর্ক করেন তিনি। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে দূর্নীতি, বিশ্ববিদ্যালয়য়ের দূরশিক্ষা তুলে দেওয়া। কাজের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিচারের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখার আহ্বান জানান মীনাক্ষী।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

আনিসের মৃত্যুর ছায়া বর্ধমানে, তুহিনার মৃত্যু নিয়ে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতিতে কংগ্রেস ও বামেরা

পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে মরতে হবে তিন বোনকে। পুর ভোটের আচরণবিধি জারি থাকার সময়েই শহর বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ালে আঁকা হয় হুমকি বার্তা দেওয়া এমন এক নজিরবিহীন ছবি। ওই ছবি আঁকানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল প্রার্থী শেখ বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশন বা পুলিশ, কারও তরফেই পুর ভোটের ফল প্রকাশের দিন পর্যন্ত ওই ছবি মোছানোর কোন উদ্যেগ নেওয়া হয়নি। তাই ওই ছবি এলাকায় দেওয়ালে রয়েই যায়। আর আঁকানো ছবির হুমকি মতোই কাণ্ড ২ মার্চ ঘটে শহর বর্ধমানের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ নতুনপল্লী এলাকায়। পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই বিকালে বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় সেখানকার তৃণমূল সমর্থক পরিবারের কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের(১৭) ঝুলন্ত দেহ। বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি শাসানি দিয়ে ওই কলেজ ছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত কারার অভিযোগ উঠেছে সদ্য নির্বাচিত ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার শেখ বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। আর তুহিনার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা এখন আমতার ছাত্র নেতা আনিসকে খুনের ঘটনার মতোই তোলপাড় ফেলে দিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।বর্ধমান রাজ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী তুহিনার খাতুনের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে শুক্রবার বর্ধমানের জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধামান জেলা সভাপতি বিশ্বরুপ হাজরা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরেই শাসক দলের রাজনৈতিক হিংসা ও অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ছাত্রী তুহিনা আত্মঘাতী হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি জারি থাকার মধেও তুহিনাদের বাড়ির ঠিক আগের একটি দেওয়ালে ছবি আঁকা হয় তিনটি মেয়ের দেহ ঝুলছে। এই ঘটনা অমানবিক ও আদিম হিংস্রতার চরম প্রকাশ বলে এসএফআই মনে করে। পুলিশের নির্দেশ পাওয়ার পরেও ওই এলাকার তৃণমূল প্রার্থী দেওয়াল লিখন মোছেননি। আমতার ছাত্র নেতা আনিস খানের মৃত্যু যেমন দুর্ভাগ্যজনক তেমনই দু্ঃখজনক। তাই তুহিনার মৃত্যুর ঘটনা নিয়েও এসএফআই বৃহত্তর প্রতিবাদ আন্দোলনে নামবে বলে বিশ্বরুপ হাজরা এদিন জানিয়ে দেন। তুহিনার মৃত্যুর ঘটনার বিচার চেয়ে এদিন বিকালে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই ও গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যরা বর্ধমান থানার সামনে ধরনায় বসেন। তুহিনার মৃত্যুর ঘটনায় সকল দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করেন এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক অনির্বাণ হাজরা।এসএফআইয়ের মতোই কংগ্রেস দলের নেতৃত্বও তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন। প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি নেপাল মাহাতো এদিন জেলা কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বাবুরবাগে আত্মঘাতী কলেজ ছাত্রী তুহিনা খাতুনের বাড়িতে যান। তিনি তুহিনার পরিবারের সদস্যদের মুখে দেওয়ালে হুমকি দেওয়া ছবি আঁকা ও ঘটনার দিনের কথা শুনে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে যান। কংগ্রেস নেতাদের কাছে তৃণমূল কাউন্সিলার বসির আহমেদ ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তুহিনার পরিবার। এখনও বসির আহমেদ হুমকি দিচ্ছে বলে তারা কংগ্রেস নেতাদের কাছে অভিযোগে জানান। সব শুনে নেপাল বাবু জানান, ভোটের সময়ে ছবি এঁকে হুমকি দিয়ে এই ধরনের দেওয়াল লেখা চরম থেকে চরমতম অপরাধ। এটা একটা নক্কারজনক ঘটনা। নির্বাচন চলাকালীন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশনের আওতায় থাকে। নির্বাচন কমিশন চেষ্টা করেও এই ছবি মুছতে পারেনি। এর দ্বারাই বোঝা যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কতটা। পুলিশ গোটা বিষয়টিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে চাইছে বলেও নেপালবাবু অভিযোগ করেছেন। একই সঙ্গে নেপাল মাহাতো জানিয়ে দেন, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে প্রয়োজনে তাঁরা আইনি লড়াই লড়বেন। যদিও বসির আহমেদ এদিন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলা হচ্ছে। প্রয়োজনে সিআইডি দিয়ে ঘটনার তদন্ত হোক। তিনি চান আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসুক।তিন তরুণী গাছে ঝুলছে এমন ছবি পুর ভোটের আচরণবিধি জারি থাকার সময়ে যাঁরা ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ালে আঁকালো তাদের বিরুদ্ধে কি নির্বাচন কমিশন আইনগত কোন ব্যবস্থা নিয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক তথা পুর নির্বাচনী আধিকারিক তীর্থাঙ্কর বিশ্বাস বলেন, এই সংক্রান্ত বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার কাছে কোন অভিযোগও আসেনি। তবে এই প্রসঙ্গে ডি এসপি (সদর) অতনু ঘোষাল বলেন, মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সত্যতা মিললে দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না ।

মার্চ ০৪, ২০২২
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে শর্ত পেশ মইদুলের স্ত্রীর, উত্তপ্ত মৌলালি

নবান্ন অভিযানে ডিওয়াইএফআই নেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজনৈতিক দূরত্ব ভুলে এদিন মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্তানহারা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে চাকরি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব মেনে নিলেও চাকরির জন্য শর্ত রাখলেন মৃত ডিওয়াইএফআই নেতা মইদুল ইসলাম মিদ্দার স্ত্রী আলেয়া বিবি। সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, দোষীদের শাস্তি চাই।এদিকে, বামকর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় মৌলালি। সংঘর্ষে জড়াল পুলিশ ডিওয়াইএফআই-এসএফআই, ছিঁড়ল পুলিশের উর্দি। ঘটনার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এজেসি বোস রোড। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে পরিস্থিতি। তবে এখনও থমথমে এলাকা। মইনুলের দেহ মৌলালিতে পৌঁছনোর অপেক্ষায় বাম ছাত্র-যুবরা। কোতলপুরের চোরকোলা গ্রামের বাসিন্দা মইদুল ইসলাম মিদ্দা। পেশায় অটো-টোটো চালক। দিনপাত করে অটো, টোটো কিনেছিলেন তিনি। সেই গাড়ি চালিয়েই পরিবার পাঁচ সদস্যের পেট চালাতেন মিদ্দা। পরিবারে রয়েছেন মিদ্দার মা, স্ত্রী আলিয়া বিবি, দুই সন্তান ও এক ভাগ্নি। তিনিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। আপাতত মিদ্দাকে হারিয়ে পথে বসেছে পরিবার। সন্তানহারা মা বলছেন, একমাত্র সন্তানকে হারিয়েছি। কীভাবে পরিবার চলবে জানি না।; স্বামীকে হারিয়ে দিশাহারা আলে্য়া বিবিও। স্বামীর খুনের দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন তিনি। সঙ্গে জানিয়েছেন, অল্প পয়সার চাকরি দিলে চলবে না। পরিবারের সদস্যদের প্রতিপালন করার মতো চাকরি দিতে হবে। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, মিদ্দা রাজনীতি করতেন। তবে সম্প্রতি বাম রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছিল। তার পরই শুক্রবার নবান্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে আহত বাম ছাত্রনেতার মৃত্যু, পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
কলকাতা

নবান্ন অভিযানে আহত বাম ছাত্রনেতার মৃত্যু, পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

নবান্ন অভিযানে আহত বাম যুবনেতার মৃত্যু। সোমবার সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় ডিওয়াইএফআই নেতা মইদুল ইসলাম মিদ্দার। ১১ ফেব্রুয়ারি বাম সংগঠনগুলির নবান্ন অভিযান চলাকালীন পুলিশের লাঠির ঘায়ে গুরুতর আহত হয়ছিলেন ওই যুবনেতা। এদিকে বাম কর্মীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই গর্জে উঠেছে বাম ছাত্র-যুবরা। নবান্ন অভিযানে ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মীকে পুলিশ ইচ্ছা করে খুন করেছে বলেই দাবি করেছেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাজ চাইতে গিয়ে আমাদের কমরেডকে খুন করেছে তৃণমূল সরকারের পুলিশ। এই ঘটনার ধিক্কার জানাই। এই হত্যার বিচার চাই। পরবর্তী ক্ষেত্রে আমরা কী ধরনের কর্মসূচি নেব তা নিয়ে শীঘ্রই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।হাসপাতাল সূত্রে খবর, পুলিশের প্রচণ্ড মারে মইদুলের শরীরের একাধিক মাংসপেশিতে গুরুতর আঘাত লাগে। পেটে ও পিঠে ভয়ংকর আঘাত পান তিনি। ফলে তাঁর কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যার ফলে চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যু হয় বাঁকুড়ার কোতলপুরের বাসিন্দা মইদুলের। এই ঘটনা তীব্র প্রতিক্রিয়া বাম নেতৃত্বের। মানবাধিকার কমিশনে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা। এই বিষয়ে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মৃত্যু নয়, এটা খুন। সরকার ইতরতার সীমা ছাড়িয়েছে। এই বাচ্চা ছেলেটকে কীভাবে মেরেছে। সরকার ভয় পেয়েছে। তাঁর বুকে, পিঠে প্রচণ্ড আঘাত করেছে পুলিশ। চিকিৎসক চাপের মুখে সবটা বলতে পারছেন না। সিপিএম নেতা ফুয়াদ হালিমের অভিযোগ, পুলিশ মাথা ও বুক লক্ষ্য করেই লাঠি চালিয়েছে। সিপিআইএমের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অজিত পতি জানিয়েছেন, বাঁকুড়া জেলা পার্টি অফিসে এই বিষয়ে বেলা ১১ টার সময় একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য।এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রাক্তন বাম যুব নেতা জামির মোল্লা বলেন, এই মৃত্যুতে আজ সমস্ত থানায় বিক্ষোভ-অবস্থান থাকবে। এটা এটা মর্মান্তিক বিষয়। কাজ নেই, চাকরি নেই সেই বিচার চাইতে গিয়ে মেরে ফেলা হল। এটা তো প্রশাসন-সরকার খুন করল। বেকার যুবদের কাজ চাওয়ার অভিযোগকে বঞ্চিত হচ্ছে। নিজেদের দাবি রাখলে যদি পুলিশের হাতে এবার মৃত্যুবরণ করতে হয়, তাহলে এ সরকারের এক মুহুর্ত আর থাকার কোনও অধিকার নেই।উল্লেখ্য, এর আগে নবান্ন অভিযানে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া বাহারপোতা গ্রামের এক বামকর্মী। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়েও যুবকের সন্ধান পায়নি পরিবার। এবার এক যুবনেতার মৃত্যুতে রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পুলিশ। প্রশাসনের বিরুদ্ধে অত্যধিক বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে সমাজের একটা বড় অংশ। প্রসঙ্গত, চাকরি, শিক্ষা-সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠন। সেখানেই পুলিশ ও বামকর্মীদের মধ্যে তীব্রই সংঘাত শুরু হয়। জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে প্রতিবাদীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। ওই ধুন্ধুমার পরিস্থিতিতে আহত হন বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশকর্মী।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
রাজ্য

কয়েক দফা দাবিতে হাওড়া কর্পোরেশনে স্মারকলিপি প্রদান ডিওয়াইএফআইয়ের

হাওড়ায় পুর পরিষেবার হাল ফেরানো ও শূন্যপদে অবিলম্বে স্থায়ী নিয়োগের দাবি সহ কয়েক দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়া কর্পোরেশন অভিযান করল বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই। এদিন শতাধিক ডিওয়াইএফআই কর্মী- সমর্থক জেলা যুব কার্য্যালয়ের সামনে জমায়েত হন। সেখান থেকে মিছিল করে এসে পৌঁছন হাওড়া ময়দান চত্বরে। আরও পড়ুনঃ আমি ভালো আছি , মৃত্যুর গুজবে বিরক্ত হয়ে জানালেন রেজ্জাক সেখানে পুলিশ মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে ডিওয়াইএফআই কর্মীরা পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে পুরসভা ভবনের মূল গেটের সামনে চলে আসেন। সেখানে পুলিশ তাদের বাধা দিলে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। পুরসভার বন্ধ মূল ফটকে উঠে পড়েন কিছু সমর্থক। পরে ডিওয়াইএফআই -এর চার জনের এক প্রতিনিধি দল পুরসভায় এসে ডেপুটেশন জমা দেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal